বড় হাসপাতালে নারী সুযোগ পাচ্ছে কম

দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে নারীদের চিকিৎসাব্যবস্থা পুরুষের তুলনায় কম। এমনকি যেসব রোগে নারীরা বেশি ভোগেন, সেসব রোগের বিশেষায়িত হাসপাতালেও একই চিত্র বিদ্যমান। আবার পরিবারেও নারীর স্বাস্থ্যসেবায় কম ব্যয়ের প্রবণতা রয়েছে। এ সমস্যা দীর্ঘদিন চললেও পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেই।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বড় এবং তিনটি বিশেষায়িত হাসপাতালে নারী-পুরুষের শয্যার সংখ্যা বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে। ছয়টি হাসপাতালেই পুরুষের তুলনায় নারীদের জন্য শয্যা কম। বিশেষায়িত হাসপাতালে নারীদের চিকিৎসার সুযোগ আরও সীমিত। তবে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে নারীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ বেড়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শিক্ষা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনে আগের তুলনায় নারীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং হাসপাতালে আসার হার বেড়েছে। সে অনুযায়ী হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৩ বছর, পুরুষের ৭০। আবার ‘সেক্স, জেন্ডার এবং হেলথ’ নিয়ে জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের একটি প্রতিবেদন বলছে, নারীরা পুরুষদের তুলনায় অসুস্থ থাকেন বেশি। অথচ নারী একা চিকিৎসকের কাছে যান না। তাঁরা নারী চিকিৎসকের কাছেই স্বস্তিবোধ করেন। এতে আরও বলা হয়, নারীরা সহিংসতার শিকার হন বেশি। তাঁদের চিকিৎসার বিষয়টি স্বামীর নিয়ন্ত্রণে থাকে।