উনের মতো দেখতে একজন ব্যক্তি প্রতিদ্বন্দ্বী

নকল উন যখন সিউলের রাস্তায় ঘুরে বেড়ান, তখন কী অবস্থার সৃষ্টি হয়, সেটাও এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। বেশির ভাগ মানুষই তাঁকে দেখে একটু হকচকিয়ে যান। ভাবেন, আরে উনি কি উত্তর কোরিয়ার নেতা? তখন তাঁরা বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। ছবি তোলেন। কেউ কেউ জানতে চান, তিনি কোথায় থাকেন? নকল উন তখন উত্তর দেন, তিনি উত্তর কোরিয়ায় থাকেন। দেশের বাইরে গেলেও লোকজন তাঁকে উত্তর কোরিয়ার নেতা উন বলেই মনে করেন। হাস্যোজ্জ্বল হয়ে ছবি তোলেন।

কেউ কেউ আবার নকল উনকে দু-চারটা খারাপ কথা শুনিয়ে দেন। বলেন, এই দেশে তাঁর থাকা উচিত নয়। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তাঁর চলে যাওয়া উচিত। নকল উন বললেন, অনেকে আবার তাঁকে দেখে আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। মারধর করেন। তবে তাঁকে দেখে অনেক পথচারীই বলেন, তাঁরা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের নেতাকে নিয়ে তাঁরা মোটেও ভীত নন।

দু-চারটা খারাপ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেও পুরো বিষয়টি বেশ উপভোগ করেন নকল উন। তাঁর ভাষায়, ‘বেশির ভাগ লোকজনই বুঝতে পারেন, আমি মজা করে এমন সাজে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

নকল উন যখন সিউলের রাস্তায় ঘুরে বেড়ান, তখন কী অবস্থার সৃষ্টি হয়, সেটাও এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। বেশির ভাগ মানুষই তাঁকে দেখে একটু হকচকিয়ে যান। ভাবেন, আরে উনি কি উত্তর কোরিয়ার নেতা? তখন তাঁরা বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। ছবি তোলেন। কেউ কেউ জানতে চান, তিনি কোথায় থাকেন? নকল উন তখন উত্তর দেন, তিনি উত্তর কোরিয়ায় থাকেন। দেশের বাইরে গেলেও লোকজন তাঁকে উত্তর কোরিয়ার নেতা উন বলেই মনে করেন। হাস্যোজ্জ্বল হয়ে ছবি তোলেন।

কেউ কেউ আবার নকল উনকে দু-চারটা খারাপ কথা শুনিয়ে দেন। বলেন, এই দেশে তাঁর থাকা উচিত নয়। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তাঁর চলে যাওয়া উচিত। নকল উন বললেন, অনেকে আবার তাঁকে দেখে আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। মারধর করেন। তবে তাঁকে দেখে অনেক পথচারীই বলেন, তাঁরা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের নেতাকে নিয়ে তাঁরা মোটেও ভীত নন।

দু-চারটা খারাপ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেও পুরো বিষয়টি বেশ উপভোগ করেন নকল উন। তাঁর ভাষায়, ‘বেশির ভাগ লোকজনই বুঝতে পারেন, আমি মজা করে এমন সাজে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’